শফি’র ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে আব্দুল হাইয়ের স্বাক্ষাৎকার-

 

 

রবিউল আলম রাজু :

রাজধানীর উত্তরখান কাঁচকুড়া স্কুলের খেলার মাঠে চামুরখান ও বারাদ্দি দুই দলের মধ্যে খেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝগড়া কলহের সৃষ্টি হলে ৪৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম শফিক ওরফে গোল্ডেন শফি’র ছোট ভাই বাবার বয়সী চামুরখানের আব্দুল হাইকে মাঠের ভিতরে ফেলে শত শত মানুষের মাঝে দাঁড়ি ধরে বেদড়ক ভাবে মেরেছে।

আব্দুল হাই তার পায়ে এবং ডান হাতে ও বুঁকে প্রচন্ড আঘাত পায়। খেলার মাঝে রেফারির পার্সিয়ালিটি বন্ধের প্রতিবাদ করে আব্দুল হাই। তিনি বলেন, এই রেফারিকে প্রত্যাহার করা হোক। খেলার শেষে যাওয়ার পথে মাঠের যাতায়াতের পথ অবরুদ্ধ করে সকলের মাঝে গোল্ডেন শফির ছোট ভাই ও তার সঙ্গীরা মিলে পিতার বয়সী আব্দুল হাইকে বেদড়ক মারধর করে।

পরবর্তীতে গোল্ডেন শফির আরেক ভাই আলমগীর ও তার বন্ধু রবিউল ঘটনাস্থলে এসে আব্দুল হাইকে উদ্ধার করে স্কুল ঘরের ভিতরে নিয়ে আটকে পরবর্তীতে পরিবেশ শান্ত হলে তাকে অটোরিক্সায় বাড়ীতে পাঠায়। আব্দুল হাই থানায় মামলা করতে চাইলে এলাকার গণ্যমান্য লোকজন বিষয়টি সুষ্ঠু বিচার করবে বলে আশ্বস্থ করে।

কিন্তু দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে আব্দুল হাই জানায়, এদের বিরুদ্ধে আমি মামলা করলে কোন লাভ হবে না, আমাকে জানে মেরেও ফেলতে পারে। আব্দুল হাই বলে আমি তার বাবার মতো। যে আমাকে মেরেছে সে কাউন্সিলর শফিকের ছোট ভাই তার নাম আমার মনে পড়ছে না, সম্ভবত নাজমুল হবে। আমার গায়ে সে কিভাবে হাত তুলে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করবো, এদের বিচার আল্লাহ রাব্বুল আলামীন করবেন।

এ বিষয় নিয়ে কাউন্সিলর শফিককে এবং তার লোকজনকে ফোন করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায়নি।