Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

সারাদেশ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সি.এনজির দখলে

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী : নরসিংদীতে করোনাকালীন সময়ে লক ডাউনের জন্য সবকিছু বন্ধ থাকলেও শিবপুর উপজেলার ইটাখোলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি দখল করে নিয়েছে সিএনজি চালকরা। সরকারের ঘোষিত কঠোর লকডাউনের মাঝে বাস সহ গণপরিবহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকার ফলে সিএনজি চালকরা বাড়তি লাভের আশায় মহাসড়ক দখলে করে আছে।

এদিকে গার্মেন্টসকর্মী এক শ্রমিক শাহিনুর আক্তার বলেন, এই ইটাখোলা বাসস্ট্যান্ডটি শতাধিক সিএনজি দখল করে রাখে। এতে করে প্রায় এখানে বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়। তিনি আরো বলেন, সিএনজি চালকদের দাবী তারা এতোটাই ক্ষমতাশালী যে তাদের টাকা নাকি উপর মহল পর্যন্ত পৌছে। অথচ এই ইটাখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৫০ গজ দূরে রয়েছে হাইওয়ে পুলিশের ফাঁড়ি। কিন্তু তারা দেখেও না দেখার মতো ভান করে আছে।

অপরদিকে সিএনজি স্ট্যান্ডের সুপারভাইজার বলেন, আমাদের এই স্ট্যান্ডে ২০০ টিরও অধিক সিএনজি রয়েছে। প্রতিটি সিএনজি থেকে আমরা প্রতিদিন ২০ টাকা করে টুল আদায় করছি। এই টাকা আমরা শ্রমিক নেতা সহ প্রশাসনেরা মিলে ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছি। অথচ বিশেষ কোন অভিযান হলে আমরা আগে থেকে ম্যাসেজ পেয়ে যাই। তাই আপনি আজকে শুধু শুধু এসেছেন এই করোনাকালীন সময়ে।

এদিকে কয়েকজন পথচারী বলেন, ঢাকা শহরের মতো এখানে জ্যামে নষ্ট হচ্ছে আমাদের মূল্যবান সময়। আমরা যানজটের কারণে সময়মতো গন্তব্যস্থানে পৌঁছাতে পারি না। সমস্যাটি দ্রæত সমাধান হলে এবং এখানে ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ দিলে আমরা উপকৃত হবো।

এদিকে ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা প্রতিনিয়তই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চালাচ্ছি বিশেষ অভিযান।

আমাদের সামনে যারাই পড়ে না কেন তাদের বিরুদ্ধেই বিধি অনুযায়ী নিচ্ছি আইনগত ব্যবস্থা। যেহেতু আপনি নিজে এই বিষয়টি নিয়ে এসেছেন তাই আমরা দ্রæততার সাথে এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

এম কে

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

গত দুই মাসের মধ্যে তিন দফা বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ৷ তবে এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে৷ সিলেটে কেন এত ঘন ঘন বন্যা? গবেষকরা বলছেন,...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান