Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

বাংলাদেশ

ঢাকা ১৮ আসনের এমপি প্রার্থী কে

ঢাকা : ঢাকা ১৮ আসনের জনপ্রিয় সাংসদ, আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ্যাডঃ সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে শূন্য আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন প্রায় ৫৬ জন ব্যক্তি।

এদের মধ্যে দুইজন তার ভাগ্নে ও একজন ভাতিজার পরিচয়ে পোষ্টার, ব্যানার, ফ্যাস্টুনের মাধ্যমে জোড়ালোভাবে ঢাকা ১৮ আসনের অলিগলি ও রাজপথে নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের নিকটাত্বীয় ও জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রচারনায় সর্বোচ্চ এগিয়ে রয়েছেন সাহারা খাতুনের পিএস মুজিবুর রহমান। ২০০৯ সালে সাহারা খাতুন দেশের প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হলে, মুজিবুর রহমানকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞাতা ও কর্ম দক্ষতা বিবেচনায় তার ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন। মুজিবুর রহমানের কর্মী বান্দব পরামর্শ ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞ কর্মকান্ডে আওয়ামীলীগ প্রেমি নেতা কর্মীরা সর্বদাই থাকতেন উৎফুল্ল ও চাঞ্চল্য। মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি পরামর্শ ও কলাকৌশলে সন্তুষ্ট হয়ে এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ৯ম, ১০ম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রতিবারই তাকে ব্যক্তিগত সচিবের দায়িত্ব দেন। মুজিবুর রহমান ১৯৮১ সালে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে শেরে বাংলা নগর মিটিংয়ে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাজনীতি জীবন শুরু করেন। এর পর স্বৈরাচারি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তার সক্রিয় ভুমিকা ছিল। ৯০-৯১ সাল থেকে মহাখালি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন ঢাকা ৫ আসনের সংসদ নির্বাচনে সাহারা খাতুনের একান্ত ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে জয় লাভ করার পর প্রধান মন্ত্রি হওয়ায় এ আসনটি ছেড়ে দিয়েছিল। পরবর্তি ১৯৯১ সালে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে একটি সংঘর্ষে দক্ষিণখান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক আসকোনার হুমাযুন নিহত হন। নিহত হওয়ার ঘটনার মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বৃহত্তর ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শামীম আহম্মেদ শাহীন ও মুজিবুর রহমানসহ আরো অনেকের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের হয়। এই মামলায় গ্রেফতার, নির্যাতন ও দীর্ঘদিন কারাভোগ করলে এ্যাডভোকেট সাহারাখাতুনের ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টায় আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করেন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রƒয়ারী মাসে খালেদা জিয়ার প্রহশনের নির্বাচন আওয়ামীলীগ প্রত্যাখান ও প্রতিহত করার ঘোষনা করলে মুজিবুর রহমান গুলশানের স্থানীয় হিসেবে মহাখালী ও এর আসপাশের এালাকায় হরতাল, অবরোধ, মিছিল, মিটিং ও প্রতিবাদি সমাবেশের অন্যতম আয়োজক ছিলেন। রাজপথে সরকার বিরোধি আন্দলনে লিপ্ত থাকার দায়ে গুলশান থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালান হয় । আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা না করার কারনে গুলশান থানার পুলিশ তার হাতের আঙ্গুলের নখ পর্যন্ত তুলে নেয়। এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করে নিজ বাসায় রেখে চিকিৎসা করান। ১/১১ সময় আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর এ্যাডভোকোট সাহারা খাতুনের আইনি লড়াইয়ে সর্বক্ষন সাথে ছিলেন এই মুজিবুর রহমান। (পর্ব-১)

নিউজবিডি৭১/ এম কে / ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

বাংলাদেশ

ইসলাম

নূর হোসাইন: জামিয়াতুন নূর আল কাসেমিয়ার আরবী সাহিত্য বিভাগের উদ্যোগে আরবি দেওয়ালিকা ‘আন-নূর’ প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে দেয়ালিকার মোড়ক উন্মোচন...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান