রাজধানীর দক্ষিণখানে মামুন নামের এক জুট ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করায় দক্ষিণখান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম আহমেদ বাপ্পীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অন্যতম আসামি তারেক আজিজ তুষারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

দক্ষিণখান থানা পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণখানের তেঁতুলতলা এলাকার ইউএল ফ্যাশন লিমিটেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির জুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গত ১৫ এপ্রিল রাতে থানা ছাত্রলীগ সভাপতি শামীম আহমেদ বাপ্পীর সঙ্গে তার প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ বাধে।

এতে তেঁতুলতলা এলাকার কয়েকজন আহত হয়। এরমধ্যে জুট ব্যবসায়ী মামুন গুরুতর আহত হন।

এ বিষয়ে রুবেল হাওলাদার বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ১৫ এপ্রিল বিকালে দক্ষিণখানের ইউএল ফ্যাশন লিমিটেড গার্মেন্টসে দক্ষিণখান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম আহমেদ বাপ্পী ভেতরে ঢুকে কয়েকজনকে লাঞ্ছিত করেন। এক পর্যায়ে বাপ্পী দাবি করেন, এই গার্মেন্টসের জুট সব তাকে দিতে হবে। পরবর্তীতে মামুন (৩২) নামের ওই জুট ব্যবসায়ীর সঙ্গে বাপ্পীর কথাকাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে এলাকার কিছু মুরুব্বিদের মাধ্যমে তা সমাধান করা হয়। কিন্তু ১৫ এপ্রিল শুক্রবার ইফতারের পর ছাত্রলীগ সভাপতি বাপ্পী তার দলবলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তেঁতুলতলা এলাকায় তাদের প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করেন। এতে রুবেল, রানা ও মামুন নামের কয়েকজন যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী আহত হয়।

আহত রুবেল জানান, ওইদিন ইফতারের পর বের হলে দেখতে পাই এলাকার এক ছোটভাইকে ধরে নিয়ে যায় বাপ্পী ও তার বাহিনী। আমি বাধা দিলে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। আমাকে বাঁচাতে মামুন এগিয়ে এলে তাকেও রামদা দিয়ে হাতে কোপানো হয়। আল্লাহ সহায় ছিল বলে কোনো রকমে জানে বেঁচে যাই।

আহত মামুন বলেন, আমি বৈধভাবে জুটের ব্যবসা করি। ছাত্রলীগের বাপ্পী চাঁদা দাবি করলে আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে বাপ্পী গ্রুপ অতর্কিত হামলা চালায় আমাদের ওপর।

এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি বাপ্পীকে ফোন করলে তিনি বলেন, এটি আসলে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে।

এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার এসআই তাজীব ইসলাম নিউজবিডি৭১কে জানান , মামলা তদন্তাধীন। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

 

এস এইচ আই/এমকে