হাবিব সরকার স্বাধীন :

 

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যতই ডিজিটাল হচ্ছে অপরাধীরা তাদের কৌশল ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের অপরাধ দুর্নীতি কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। করোনাকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যক্তিরা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর তৃতীয় শ্রেণীর ড্রাইভার কর্মচারীরা হয়ে যায় কোটিপতি। উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনগনের টাকা আত্মসাৎ করে সবাই এখন কোটি প্রতি কাতারের নাম লেখাতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

সরজমিনে অনুসন্ধানে বাঞ্ছারামপুর থানা সোনারপুর গ্রামে এমনই এক নানান অপকর্মের হোতা চেয়ারম্যানের অনুসন্ধান মিলেছে বাঞ্ছারামপুর এলাকার ভয়ঙ্কর এক নাম শাহিন চেয়ারম্যান। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, শাহিনের মত চাল, চোর,, ডাল, চোর, তারা এখন মুখোশ পড়ে জনপ্রতিনিধি।

জনগনের টাকা আত্মসাৎ করে অপরাধীর এখন কোটিপতি হওয়া নেশায় মরিয়া। তাহলে জনগণ যাবে কোথায়? এমন প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে। খবরের পাতা খুলে সর্বপ্রথম চোখ পরে দুর্নীতি চিত্রটি আমাদের চোখে পড়ে। জনগণের স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে পরিশ্রমিক নেতাকর্মী বর্তমান বেশি নাই বললেই চলে। দুর্নীতির সাথে নিজেকে মাকড়সার মতো জড়িয়ে নিয়েছেন বেশিরভাগই অসাধু চেয়ারম্যান-মেম্বারা। দেশের স্বার্থে নির্ভীক কাজ করো এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বড় কষ্ট।

অসৎ জনপ্রতিনিধিরা এখন নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত সাধারণ মানুষের কি হবে কি হয়েছে ভাবনার সময় নেই বর্তমান জনপ্রতিনিধির চেয়ারম্যান মেম্বারদের। এমনই কিছু কিছু ঘটনা বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের দুর্নীতির খবর পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে এই চক্রটি কে সহযোগিতা করেছেন দু একজন প্রভাবশালী নেতা। ইতিপূর্বে বহু চেয়ারম্যানের মুখোশ উন্মোচন করেছেন সংবাদকর্মীরা তাতে আনন্দিত সাধারণ মানুষ ও এলাকাবাসী। শাহীন চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।

এমনই একজন অপরাধী চেয়ারম্যান কে নিয়ে এই প্রতিবেদন।বাঞ্ছারামপুর থানা সোনারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনের পদত্যাগের দাবীতে মানববন্দন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। ইতিপূর্বে প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় শাহিনের দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। বিভিন্ন মহলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শাহিন বিভিন্ন দফতরে ছোটাছুটি করেন এমন কিছু তথ্য এসেছে দপ্তরে। গত সোমবার দুপুরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের চরমরিচাকান্দী বিলপা এলাকায় বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী লোকের উপস্হিতিতে মানববন্দন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোনারামপুর ইউপির ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে মানববন্দনে বক্তব্য রাখেন। মামুন,শরীফ উদ্দিন, ডলী বেগম, হালিমা,আব্বাসউদ্দীন, কাল্লুর মা, আরো বহু ভুক্তভোগী জনগন। মানববন্দনে মেম্বার শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন চেয়ারম্যান শাহীন গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার কথা বলে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।শাহীন চেয়ারম্যান প্রতিবন্ধী, মাতৃত্ব কালীন ভাতা সহ টি,আর,কাবিখা,এলজি এসপিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আৎসাত করে আসছেন। এছাড়াও মানববন্দনে ভুক্তভোগী উত্তেজিত জনতা শাহীন চেয়ারম্যানের অপসারন দাবী করে।

তার সকল অপকর্মের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এ সময় বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান শাহীনের দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। হত দরিদ্রদের পাকা ঘর নির্মাণের জন্য এই ইউপির ৪শ পরিবারের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঘর দেয়নি।এছাড়াও বিজিএফ, বয়স্কভাতাসহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে। তারা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে ওই চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবী জানান। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে এলাকার বিপুল সংখ্যক ভূক্তভোগী নারী পুরুষ অংশ গ্রহন করে।

এ বিষয়ে শাহিন চেয়ারম্যান মোটো ফোনে ফোন দিলে তিনি বলেন। আমি কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করব? আমি কোনো অপকর্মের সঙ্গে জড়িত না। আমি চাই, শৃঙ্খলা বাহিনী স্বচ্ছতার সঙ্গে বিষয়টি শতভাগ তদন্ত করুক। যারা অভিযোগ করেছে, তারা আমার শত্রু না, বন্ধু মনে করি।’ তিনি আরও বলেন, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি সঠিক সময়ে জনগণের হাতে তাদের সঠিক পাওনা বুঝিয়ে দিয়েছি তবুও একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানান রকমের মিথ্যা ছড়াচ্ছে তারা কারা?? প্রশ্ন করলে সঠিক কোন উত্তর দিতে পারেনি শাহীন চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে চোখ রাখুন পরবর্তী পর্বে।