আসন্ন পবিত্র রমজানে মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

এছাড়া লকডাউন চলাকালে মসজিদে নামাজ পড়ার বিষয়ে ১০টি দিক-নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই এই বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শাখাওয়াত হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে খতিব, ইমাম, মুসল্লী ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির প্রতি এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো হল-

১. মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে, সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৩. মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিদের নিজ নিজ জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।

৪. কাতারে দাঁড়ানোর সময় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

৫. শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকবে।

৬. সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত কল্পে মসজিদের অজু খানায় সাবান বা স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত টুপি ও জায়নামাজ ব্যবহার করা যাবে না।

৭. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চতকল্পে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৮. মসজিদে ইফতার ও সেহেরির আয়োজন করা যাবে না।

৯. করোনাভাইরাস মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামগণ দোয়া করবেন।

১০. সম্মানিত খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

উল্লিখিত নির্দেশনা লংঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানানো হয় উক্ত প্রজ্ঞাপনে।

 

 

নিউজবিডি৭১/ এম আর