Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

লিড

মহাসড়কে শ্রমিকস্রোত

মহাসড়কে শ্রমিকস্রোত
মহাসড়কে শ্রমিকস্রোত

নিউজবিডি৭১ডটনেট
গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুর জেলাজুড়ে চলছে লকডাউন (অবরুদ্ধ) অবস্থা। জরুরি সেবা ও বিশেষ কিছু খাতের প্রতিষ্ঠান ছাড়া এখানকার সব বন্ধ। গণপরিবহনও বন্ধ। করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে এভাবে সবকিছু বন্ধ থাকলেও আজ (শনিবার) থেকে খুলছে পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পের কারখানা। ফলে সামাজিক দূরত্ব বজায়ের সব নির্দেশনাকে পায়ে মাড়িয়ে গাজীপুর ও ঢাকা অভিমুখে আসছেন হাজার হাজার শ্রমিক। বেশিরভাগ শ্রমিকই ‘চাকরি বাঁচাতে ফিরতে বাধ্য’ হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।

মহাসড়কের এমসি বাজার, নয়নপুর, স্কয়ার মাস্টার বাড়ি, মাওনা চৌরাস্তা, ভবানীপুর, গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি ও জৈনাবাজার এলাকায় কারখানামুখী শ্রমিকদের এ স্রোত দেখা যায়। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে রাস্তায় টহলরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এ পরিস্থিতি সামাল দিতে যেন হিমশিম খাচ্ছিল।

একইভাবে মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় কর্মস্থলমুখী শ্রমিকদের ঢল দেখা যায়। অনেককে দেখা যায় ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, প্রাইভেটকার, অটোরিকশা, ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, সিএনজি ও ভ্যানগাড়িতে চড়ে ফিরতে। যদিও এজন্য কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের। অবশ্য কিছু কিছু স্থানে শ্রমিকদের আটকাতে তৎপর দেখা যায় পুলিশকে। খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে যারা ফিরছিলেন তাদের বিভিন্ন চেক পয়েন্টে আটকেও দেয় পুলিশ। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় নারী শ্রমিকদের। অনেকে কোন দিকে যাবেন, সেই দ্বিধা-ধন্দে ক্ষোভ-হতাশা প্রকাশ করেন সংবাদকর্মীদের সঙ্গে।

শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, সামনে ঈদ। এখন চাকরিতে যোগদান না করলে বেতন পাওয়ার অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। পড়তে হবে ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায়। করোনা সংক্রমণের দিন শেষ হয়ে গেলে কর্মসংস্থানের সংকটও তৈরি হতে পারে। সেজন্য এতো ঝুঁকি এতো ভোগান্তি সত্ত্বেও তারা ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।

ময়মনসিংহ থেকে আশুলিয়া-জিরানীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন মনির ও আলম। তারা জানান, বিভিন্ন মিডিয়া ও সহকর্মীদের কাছ থেকে জেনেছেন শনিবার অফিস খোলার কথা। সামনে ঈদ, এদিকে প্রায় দেড় মাস কারখানা বন্ধ। হাতে একেবারেই টাকা নেই। এই একমাস যদি কাজ করে বেতন নিয়ে বাড়ি যেতে পারেন, তবেই ঈদ কিছুটা আনন্দময় হবে।

এ বিষয়ে কলকারখানা পরিদর্শন অধিদফতরের গাজীপুরের উপ-মহাপরিদর্শক ইউসুফ আলী জানান, গাজীপুরে নিবন্ধিত ছোট-বড়-মাঝারি কারখানা রয়েছে চার হাজার ৭৬৫টি। করোনাকালের আগে চালু ছিল দুই হাজার ৩৬৮টি। এর মধ্যে বিজিএমইএ-বিকেএমইএ’র নিয়ন্ত্রণাধীন কারখানা ৮৬২টি। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন কয়েকলাখ শ্রমিক। গত ২৬ এপ্রিল কিছু কারখানা খোলা হলেও শনিবার থেকে বাকি কারখানগুলো চালু করার কথা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ নিয়েই শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে ফিরতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার বলেন, গাজীপুরে লকডাউন চলছে। বিভিন্ন দিক বিবেচনায় এরই মধ্যে জেলার শিল্প-কারখানাগুলো আগামীকাল (শনিবার) খোলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে। কারখানাগুলোতে সামাজিক নিরাপত্তা মানা হচ্ছে কি-না তার প্রতি বিশেষ নজর দেয়া হবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/ ২ মে ২০২০

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

কালচার

সিলেটে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ডে লাইফ সিল্ক ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি নিজেদের স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে সংগঠনটির প্রতিনিধিরা হাজির হয় সিলেটের...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান