Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

বাংলাদেশ

মিলছে না ভাড়াটিয়া

মিলছে না ভাড়াটিয়া
মিলছে না ভাড়াটিয়া

ঢাকা : সীমিত আয়ের মানুষদের করোনা পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার পাশাপাশি টিকে থাকার নতুন সংগ্রামের মুখোমুখিত হতে হচ্ছে। ঢাকায় যারা অস্থায়ীভাবে বসবাস করতেন তারা চলে যাচ্ছেন রাজধানীর বাইরে। ফলে রাজধানীর বেশিরভাগ ভবন-ফ্ল্যাটই এখন ভাড়াটিয়াশূন্য। এমন প্রেক্ষাপটে হোল্ডিং ট্যাক্স (কর) আদায়ে নমনীয় রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন।

রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, তেজগাঁও, মতিঝিল, খিলগাঁও, আজিমপুর এলাকাগুলোতে ভাড়াটিয়াদের বসবাস তুলনামূলকভাবে বেশি। মনের মতো একটি বাসা পেতে নাভিশ্বাস অবস্থা ছিল তাদের। অনেক বাড়ি-ফ্ল্যাটের মালিকদের নানান যন্ত্রণা ভোগ করেও থাকতে হয়েছে ভাড়াটিয়াদের। সেই মালিকরাই এখন পাচ্ছেন না ভাড়াটিয়া।

বিগত কয়েক মাস যাবত এমনই চিত্র রাজধানীজুড়ে। রাজধানীতে বসবাস করা বেশিরভাগ ভাড়াটিয়ারাই শেষ দুই মাসে রীতিমতো তল্পিতল্পা গুটিয়ে চলে গেছেন। রাজধানীর আবাসিক ভবনগুলোর গেটে এখন খুবই সাধারণ দৃশ্য ‘ভাড়া হবে’ বা ‘টু-লেট’ সাইনবোর্ড।

রাজধানী ছেড়ে যাওয়া বেশিরভাগ মানুষই মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত অথবা একেবারেই নিম্ন আয়ের মানুষজন। কেউ বেসরকারি খাতের চাকরি হারিয়ে, কেউ বা ছোটখাটো ব্যবসা গুটিয়ে ছাড়ছেন রাজধানী। ভাড়াটিয়ারা বলছেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আর হয়তো আসা হবে না ‘আজব শহর’ ঢাকায়। আর এতে বিপাকে পড়েছেন রাজধানীর ভবন মালিকেরা। কেউ চিন্তিত ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের চুক্তি নিয়ে, কেউ চিন্তিত সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে।

তবে রাজধানীর দায়িত্বে থাকা দুই সিটি করপোরেশন এক রকম সাময়িক সুবিধা দিয়েছে ভবন ও ফ্ল্যাট মালিকদের। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে, বিলম্ব ফি বা জরিমানা ছাড়াই হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার মেয়াদ বাড়িয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন ভবন ও ফ্ল্যাট মালিকেরা। অন্যদিকে নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

রাজধানীর হোল্ডিংগুলো থেকে পাওয়া কর দুই সিটি করপোরেশনের রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি খাত। সূত্রমতে, ডিএনসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স ও পরিচ্ছন্ন লাইটিং খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা। এর আগের অর্থ বছরে অর্থাৎ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হয়েছিল ৩শ কোটি টাকার ওপরে। তবে বর্তমানে এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার অনেক কম কর আদায় করা গেছে। অনুপাতের হিসেবে প্রায় ৬৬ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স এখন পর্যন্ত পেয়েছে ডিএনসিসি।

হোল্ডিং ট্যাক্স প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের বলেন, বিনা বিলম্ব ফিতে হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আমাদের এখানে হয়নি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে হোল্ডিং ট্যাক্স থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫০ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৭৯ দশমিক সাত নয় কোটি টাকা। তবে হোল্ডিং ট্যাক্স ফি বাড়ছে না এটা নিশ্চিত কারণ এটি মেয়র স্যারের নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যে ছিল যে কোনো হোল্ডিং ট্যাক্স ফি বাড়ানো হবে না।

নিউজবিডি৭১/ এম কে / ০৭ জুলাই ২০২০

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

কালচার

সিলেটে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ডে লাইফ সিল্ক ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি নিজেদের স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে সংগঠনটির প্রতিনিধিরা হাজির হয় সিলেটের...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান