Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

বাণিজ্য

মিলার-আমদানিকারকরা চালের বাজারে মনিটরিং চান

মিলার-আমদানিকারকরা চালের বাজারে মনিটরিং চান
মিলার-আমদানিকারকরা চালের বাজারে মনিটরিং চান

ঢাকা : মিলার ও চাল আমদানিকারকরা বাজার স্থিতিশীল করতে চালের আমদানি শুল্ক কমানো মোটেই ঠিক হবে না বলে মনে করছেন। হুট করে এই সিদ্ধান্ত নিলে উল্টো কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা তাদের।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। দাম যতটুকু বাড়ার, আগেই বেড়েছে। শুল্ক না কমিয়ে বরং চালের বাজারে আরও মনিটরিং বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আগে চালের আমদানি শুল্ক ছিল ২৮ শতাংশ। গত বছর ধানের দাম না পেয়ে কৃষক মাঠেই ফসল পুড়িয়ে ফেলায় মে মাসে সরকার এই শুল্ক প্রায় দ্বিগুণ করে ৫৫ শতাংশে উন্নীত করে। এতে আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে দেশীয় চালের দাম কিছুটা বেড়েছিল। এতে কৃষক উপকৃত হয়েছিল বলেই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বোরোর বাম্পার ফলনের পরও এ বছর চালের দাম কিছুটা বাড়তি রয়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে মিনিকেট ৫৫ টাকা, আটাশ ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, নাজিরশাইল ৬০ টাকা ও স্বর্ণা ৩৫ থেকে ৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চালের দাম পড়ছে ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা, আটাশ ২১০০ থেকে ২২০০ টাকা, স্বর্ণা ১৮৫০ থেকে ১৯০০ টাকা ও নাজিরশাইল ২৩০০ থেকে ৩১০০ টাকা। অন্য বছর এই সময় প্রতি বস্তা মিনিকেট ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হয় বলে চাল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতে সরকারও বলছে, অবৈধভাবে চাল মজুত করা হয়েছে। কারসাজি করে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে এবং কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে। তা সত্ত্বেও চালের বাজার অস্থিতিশীল করা হলে এবং চালকল মালিকরা সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী সরকারি খাদ্যগুদামে সঠিক সময়ের মধ্য চাল সরবরাহ করতে গড়িমসি করলে কৃষকের স্বার্থ ও চালের বাজার দর— উভয়ের মধ্যে সমন্বয় করে প্রয়োজনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে প্রয়োজন মতো চাল বিদেশ থেকে আমদানি করার কথা ভাবছে সরকার।

জানতে চাইলে খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, ‘এমন ভাবনা হঠাৎ করে নয়। আমরা নিয়মিত বৈঠক করছি। মনিটরিং করছি। কিন্তু চালের বাজার এক-দুই টাকা করে বেড়ে গেছে। কিন্তু এ বছর বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। আম্পানে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। এই সময়ে চালের দাম বাড়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। কৃষকের কথা আমরা চিন্তা করব। একইসঙ্গে ভোক্তাদের কথাও চিন্তা করতে হবে। এ বছর আমাদের ৮ লাখ মেট্রিক টনের বেশি ধান সংগ্রহ করার কথা। এখন পর্যন্ত মাত্র ৮৮ হাজার টন চাল সংগ্রহ করতে পেরেছি। তার মানে কৃষক ধানের দাম পাচ্ছে। আর আমরা বলেছি, প্রয়োজন হলে শুল্ক কমিয়ে আমদানি করা হবে। এমন না যে ২০১৭ সালের মতো আমদানি করার সুযোগ থাকবে। যদি প্রয়োজন হয় ঠিক ততোটুকুই আমরা আমদানি করব।’

কারওয়ান বাজারের পাইকারি বাজারের দোকান মের্সাস হাজী ইসমাইল অ্যান্ড সন্সের মালিক জসিম উদ্দিন বলেন, চালের বাজার এখন স্থিতিশীল আছে। দাম যা বাড়ার, আগেই বেড়ে গেছে। নতুন করে এখন আর দাম বাড়েনি। এসময় মিনিকেট ২১০০ থেকে ২২০০ টাকা বস্তায় বিক্রি হওয়ার কথা। অথচ এখন বিক্রি করতে হচ্ছে ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা বস্তায়।

আমদানি শুল্ক কমালে বাজারে কেমন প্রভাব পড়তে পারে জানতে চাইলে পাইকারি বাজারের এই চাল ব্যবসায়ী বলেন, অবশ্যই ভালো হবে। বাজারে চালের দাম কমে আসবে। মিলার বা চালের ব্যবসায়ী যাদের কাছেই স্টক রয়েছে, তারা তা দ্রুত বাজারে ছেড়ে দেবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে / ০৯ জুলাই ২০২০

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

বাংলাদেশ

ইসলাম

নূর হোসাইন: জামিয়াতুন নূর আল কাসেমিয়ার আরবী সাহিত্য বিভাগের উদ্যোগে আরবি দেওয়ালিকা ‘আন-নূর’ প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে দেয়ালিকার মোড়ক উন্মোচন...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান