প্রথম লেগে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা সেমিতে খেলতে লিভারপুলকে ঘরের মাঠে জিততে হতো অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে। সেই চেষ্টা ম্যাচের শুরু থেকেই করে গেল ইয়ূর্গেন ক্লপের দল। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদের জমাট রক্ষণের বিপক্ষে একটা গোলও আদায় করতে পারেননি মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানেরা। ফলে প্রথম লেগের ফলাফলই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে তুলে দিল জিনেদিন জিদানের দলকে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) অ্যানফিল্ডে লিভারপুল-রিয়াল মাদ্রিদের লড়াইটা গোলশূন্য ড্র হয়েছে। ফলে প্রথম লেগে ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ ওই ব্যবধানেই সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে।

পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল লিভারপুলের আক্রমণাত্মক ফুটবলের দাপট। একইসঙ্গে ছিল তাদের আক্রমণভাগের ফিনিশিং ব্যর্থতা। সারা ম্যাচে অন্তত ১৫টি শট নিয়েছিল তারা, যার মধ্যে মাত্র ৪টি ছিল লক্ষ্য বরাবর। কিন্তু সবগুলোই দারুণ দক্ষতায় ফেরান রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া।

অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা সাজিয়ে এগুতে থাকে। তাদের দৃঢ় রক্ষণ ভেদ করা সম্ভব হয়নি লিভারপুলের পক্ষে। তবে আচমকা কিছু সুযোগ তৈরি করে রিয়ালও। কিন্তু সেগুলোয় আর গোল হয়নি।

লিভারপুলের তিনটি সুযোগ ছিল নিশ্চিত গোলের। কিন্তু সেগুলো থেকে গোল আদায় করে নিতে পারেননি মোহাম্মদ সালাহ ও জর্জিনিও ভেইনালদেম। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত লিভারপুল। সাদিও মানের কাছ থেকে পোস্টের কাছে বল পান মোহামেদ সালাহ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। তার শট ঠেকিয়ে দেন রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।

তার দৃঢ়তায়ই প্রথমার্ধে গোল হজম করেনি রিয়াল। তাতে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

অন্যদিকে দুই গোলের লিড থাকা রিয়াল মাদ্রিদ শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা সাজিয়ে এগুতে থাকে। তাদের দৃঢ় রক্ষণ ভেদ করা সম্ভব হয়নি লিভারপুলের পক্ষে। তবে আচমকা কিছু সুযোগ তৈরি করে রিয়ালও। কিন্তু সেগুলোয় গোল আর হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডকে হতাশ করেছেন কোর্তোয়া। ৬৬ মিনিটে রিয়ালের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে গোলবঞ্জিত করেন লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন। শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া লিভারপুল নিজেদের অর্ধ ছেড়ে উঠেছিল। কিন্তু জমাট রক্ষণ গড়া রিয়াল যেন প্রস্তুতই ছিল! ঠান্ডা মাথায় একটার পর একটা আক্রমণ রুখে দিয়েছে মাদ্রিদের ক্লাবটি। যাতে গোলশূন্য ড্রতে নিষ্পত্তি হয়েছে দু’দলের লড়াই।

দিনের অন্য ম্যাচে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠ থেকে ২-১ গোলে জিতে ফিরেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ফলে দুই লেগ মিলে ৪-২ গোলের অগ্রগামিতায় সেমির টিকিট পেয়েছে তারা। সেরা চারে ম্যান সিটির প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখকে বিদায় করা প্যারিস সেইন্ট জার্মেই ।

 

 

নিউজবিডি৭১/ এস এইচ আই