Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

বিনোদন

সুশান্ত ভালোবেসেই খরচ করতো, আমরা তো স্বামী-স্ত্রীর মতোই থাকতাম : রিয়া চক্রবর্তী

বিনোদন ডেস্ক : সুশান্ত সিং মৃত্যু মামলায় সারা দেশ যার কাছ থেকে সত্য ঘ’টনা জানার জন্য উৎসুক, তিনি আর কেউ নন, সুশান্তের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তী। সেই রিয়া এ বার প্রথম মুখ খুললেন সংবাদমাধ্যমে। তাকে ঘিরে জমতে থাকা বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিলেন ‘ইন্ডিয়া টুডে’ চ্যানেলকে। 
রিয়া জানিয়েছেন, মহেশ ভাট্টের সঙ্গে সুশান্ত আর তার সম্পর্ক নিয়ে কোনও মেসেজ বিনিময় করেননি তিনি। সুশান্তকে ছাড়ার বিষয়ে মহেশ ভাট্ট তাকে মদত দিয়েছিলেন এমনও না। রিয়া এই সাক্ষাৎকারে বলেন, ”আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম সে দিন। আমি সুশান্তকে ছেড়ে চলে আসার পরেও ও আমায় ফিরে ডাকল না। ফোন অবধি করল না। আমি খুব দুঃখ পেয়েছিলাম, ভেবেছিলাম আমি অসুস্থ বলে সুশান্ত আর আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় না। এত খা’রা’প লেগেছিল যে ভাট্ট সাবকে ফোন করি।”
রিয়া এই সাক্ষাৎকারেই বলেন, ”আমি ভাবতেই পারিনি সিদ্ধার্থ পিঠানি আমার সম্পর্কে বানিয়ে বানিয়ে এমন কথা বলতে পারে!আমাকে নিয়ে অবশ্য এখন যে যা পারছে লিখছে। তবে আমি কোনও ড্রাইভার দলাইনি। আমার কাছে কোনও ড্রাইভার আসেওনি। আমি বাড়ি ছেড়ে চলে আসার পর সুশান্তের দিদি ড্রাইভার বদল করে।”
রিয়া জানান, সুশান্তের কোম্পানি নিয়ে তার আর শৌভিকের ভূমিকা ঘিরে নানা গু’জব ছড়িয়েছে। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”সুশান্ত এত ভালবাসত শৌভিককে যে আমরা বলতাম আমার ভাই আমার সতিন। সুশান্তের জে’দেই আমাদের ইতালি ট্রিপে পরে শৌভিক এসে যোগ দেয়। আর এই ভালবাসার জন্যই সুশান্ত আমাদের দু’জনকে ওর ড্রিম প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত করে।”

রিয়া পরিষ্কার জানিয়ে দেন, এই কোম্পানির জন্য তিনি আর তার ভাই সমান টাকা সুশান্তকে দেন। তিনি বলেন, এই সময়ে তিনি, শৌভিক-সুশান্ত মিলে রিলে’টিক্স নামের সংস্থাটি শুরু করেন। সকলের এতে ৩৩.৩৩ শতাংশ টাকা দিতে হয়েছিল৷ ”ভাইয়ের চাকরি ছিল না বলেই ওর টাকা আমি ওর ব্যাঙ্কে ট্রান্সফার করি। সুশান্তের কোম্পানি সং’ক্রা’ন্ত শুধু এই লেনদেন হয়েছে আমাদের। বাকি সব মিথ্যে।”
রিয়া ক্ষো’ভ প্রকা’শ করেন সুশান্ত আর তার ইউরোপ ট্রিপ নিয়ে যা নয় তাই বলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে সুশান্তের সব টাকা যেন রিয়াই ন’ষ্ট করেছেন। রিয়া বলেন, ”সুশান্ত হাই লি’ভিং-এ বিশ্বাস করত। আমার প্যারিসে যাওয়ার কথা, ফ্যা’শন শু’টের জন্য। ওরা আমায় যাতায়াত আর থাকার খরচা সব দিয়েছিল। সুশান্ত সে সব বা’তিল করে বিজনেস ক্লাসে টিকিট কা’টল। ইউরোপ ট্রিপ প্ল্যা’ন করল। বড় হোটেলের খরচ ও-ই দিল। আমিও নিয়েছি। কেউ কেন বলবে আমি ওর টাকায় চলেছি? বরং বলব, এটা ওর সিদ্ধান্ত! আমরা তো স্বামী-স্ত্রীর মতোই থাকতাম। সেই ভাবেই সুশান্ত ভালবাসা থেকেই খরচ করত।”
রিয়া তার স্মৃতি থেকে বলেন, ”শুধু তার সঙ্গেই নয়, বেশ অনেক দিন আগে বন্ধুদের সঙ্গে থাইল্যান্ড বেড়াতে গিয়ে ৭০ লাখ টাকা খরচ করেছিলেন সুশান্ত। প্রাইভেট জেট নিয়ে গিয়েছিলেন। রিয়া এ বার ঘুরে প্রশ্ন করেন, ”কার কী বলার আছে বলুন তো সুশান্ত নিজের পয়সায় কী ভাবে জীবন চালাবে? ওর থাইল্যান্ড ট্রিপ নিয়েও কি বলা হবে, তা হলে ওর বন্ধুরা জো’র করে ওর টাকা নিয়েছিল? তা হলে আমার ক্ষেত্রে কেন বলা হচ্ছে?”
ইউরোপ ট্রিপের কথার উল্লেখ করে রিয়া বলেন, ”আমরা যখন ইউরোপে বেড়াতে যাচ্ছিলাম তখন সুশান্ত বলেছিল যে ও ফ্লাইটে বসে থাকতে ভ’য় পায়। তার জন্যও একটি ওষুধ নিয়েছিল৷ যার নাম ‘মোডাফিনিল’৷ ফ্লাইটে চড়ার আগে সুশান্ত সেই ওষুধ খায়৷ ওষুধটা সুশান্তের সঙ্গে সারাক্ষণ থাকত।” ইউরোপ ট্যুরে কী হয়েছিল?
রিয়া বলেন, ”আমরা প্যারিসে পৌঁছনোর পর সুশান্ত তিন দিন ঘর থেকে বাইরে আসেনি। এতে আমার কিছুটা মন খা’রা’প হয়৷ কারণ আমি এই ট্রিপ নিয়ে খুব উত্তে’জিত ছিলাম। আমি চেয়েছিলাম ঘুরে বেড়াতে৷ আর ওখানে সুশান্ত নি’শ্চি’ন্তে রাস্তায় ঘুরতে পারত, কোনও সম’স্যাও হত না৷”
তবে সুইৎজারল্যান্ডে পৌঁছে খুশি ছিলেন সুশান্ত, জানান রিয়া। ইটালিতে পৌঁছে তিনি দেখতে পান, তার ঘরের কাঠামো অ’দ্ভু’ত ধ’রনের! রিয়া বলেন, ”তাতে আমি ভয় পেলেও সুশান্ত বলে সব ঠিক আছে।” তারপর সুশান্ত অবশ্য বলেন যে ঘরে কোনও সম’স্যা রয়েছে এবং তখন থেকেই সুশান্তের অবস্থা ব’দলে যায়। ঘর ছেড়ে যেতে চান না তিনি। রিয়া জানিয়েছেন, তারপর থেকে শুরু হয় হ’তা’শা৷ যোগাযোগ করা হয় মনো বিজ্ঞানী হরেশ শেঠির সঙ্গে৷ তিনিই বলেন ওষুধের কথা।

নিউজবিডি৭১/ এম কে / ২৭ আগস্ট ২০২০

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

গত দুই মাসের মধ্যে তিন দফা বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ৷ তবে এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে৷ সিলেটে কেন এত ঘন ঘন বন্যা? গবেষকরা বলছেন,...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান