Connect with us

Hi, what are you looking for?

Newsbd71Newsbd71

লাইফস্টাইল

৯৫ শতাংশ করোনা রোগী ম্যালেরিয়ার ওষুধে সুস্থ

৯৫ শতাংশ করোনা রোগী ম্যালেরিয়ার ওষুধে সুস্থ
৯৫ শতাংশ করোনা রোগী ম্যালেরিয়ার ওষুধে সুস্থ

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে ৯৫ শতাংশ করোনা রোগী ম্যালেরিয়ার ওষুধে সুস্থ হচ্ছেন। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল এবং ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজে (বিআইটিআইডি) চলছে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা। দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারও মৃত্যু হয়নি। বরং চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৪ জন।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রথম কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত একজন শনাক্ত হন। এরপর থেকে মঙ্গলবার (৫ মে) পর্যন্ত চট্টগ্রামে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১১০ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৪ জন, মারা গেছেন আট জন। আক্রান্ত হয়ে ও করোনার উপসর্গ আছে— এমন ১৪৯ জন হাসপাতালে আইসোলেশনে আছেন। সুস্থ হওয়া রোগীদের মধ্যে ২১ জন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে এবং তিন জন বিআইটিআইডিতে চিকিৎসা নিয়েছেন।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত আট জনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা শুরুর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে তাদের প্রাণে বাঁচানো যেত বলে মনে করেন তারা। চট্টগ্রামের মতো সারাদেশেই কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

সূত্রমতে, চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যে আট জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে ছিল পটিয়ার এক শিশু। শনাক্তের পর জেনারেল হাসপাতালে আনার ২০ মিনিটের মধ্যেই সে মারা যায়। শনাক্ত হওয়ার পর আরেক বৃদ্ধকেও জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। বাকিদের বেশিরভাগেরই নমুনা শনাক্তের আগেই মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ফোকাল পারসন ডা. মো. আব্দুর রব জানান, চার ধাপে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রথমে শরীরের উপসর্গ বিবেচনায় নিয়ে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল, কাশি-শ্বাসকষ্ট থাকলে ইনহেলার-অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, ৫০০ মিলিগ্রামের এজিথ্রোমাইসিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রথম দিন একটি দেওয়া হচ্ছে। এরপর দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত ২৫০ মিলিগ্রাম করে দিনে তিন বার দেওয়া হচ্ছে।

তৃতীয়ত, আক্রান্ত হিসেবে শনাক্তের পর হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দিয়ে শুরু হচ্ছে ১০ দিনের মূল চিকিৎসা। প্রথম দিন দুইটি করে সকালে ও রাতে দুই বার দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৯ দিন একটি করে দিনে তিন বার।

বিআইটিআইডি’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. এম এ হাসান চৌধুরী বলেন, ‘করোনায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে আমরা কিছু বিষয়কে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রিভিয়াস হিস্ট্রি, শরীরে অন্য কোনো রোগের লক্ষণ আছে কি না, হৃদরোগ বা কিডনি জটিলতায় ভুগছেন কি না এবং আক্রান্ত হওয়ার আগে-পরে কী উপসর্গ দেখা যাচ্ছে— এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছি। এর মধ্যে অ্যান্টিবোয়োটিক ও হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধ ব্যবহার করে ৯৫ ভাগ রোগীকেই আমরা সুস্থ করে ফেলতে পারছি। বাকি পাঁচ শতাংশ রোগীর জটিলতা একটু বেশি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা নির্দিষ্ট লেভেলের নিচে নেমে গেলে তখন অন্য সাপোর্ট লাগছে, সেক্ষত্রে হয়তো দুয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটছে।’

দেশে এখন ম্যালেরিয়া প্রায় নির্মূলের পথে। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের গবেষণায় বলা হয়েছে, গত এক দশকে দেশে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে প্রায় ৮৭ শতাংশ।

এ অবস্থায় নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদিত অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ দেশে উৎপাদনের অনুমতি পেয়েছে ছয় ওষুধ কোম্পানি। এর মধ্যে দুইটি কোম্পানি জানিয়েছে, তারা আগামী ২০ মে’র মধ্যেই উৎপাদনের প্রক্রিয়া শেষ করতে পারবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/ ৬ মে ২০২০

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে ২৪ লক্ষের পরিবার

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

কালচার

সিলেটে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ডে লাইফ সিল্ক ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি নিজেদের স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে সংগঠনটির প্রতিনিধিরা হাজির হয় সিলেটের...

কপিরাইট Ⓒ ২০১২-২০২১ নিউজবিডি৭১.নেট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বাড়ী- ৪৯ (১ম তলা), রোড- ১২, সেক্টর-১১, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। প্রকাশক- মোহাম্মদ মানিক খান